1.

O2)3d63d5.ঘ. উদ্দীপকের ২য় দ্রবণে বিকারক যােগ করে প্রাপ্ত।অধঃক্ষেপটির দ্রাব্যতা নির্ণয়ের পদ্ধতি বিশ্লেষণ।করাে। [25°C তাপমাত্রায় K০ = 4.5 x 10®2]NHOHআয়ন:দ্ররণবিকারক১ম দ্রবণক. হুণ্ডের নিয়ম লেখাে।সম আয়ন প্রভাবের ফলে দ্রাব্যতা হ্রাস পায় কেন?গ. উদ্দীপকের বিকারক ব্যবহার করে ১ম ও ২য় দ্রবণেথাকা আয়নদ্বয় কীরূপে সনাক্ত করবে, তা সংশ্লিষ্টসমীকরণসহ লেখাে।২য় দ্রবণখ.2000তবের দাব্যতা​

Answer»

EXPLANATION:

দ্রাব্যতা পদার্থের একটি ভৌত ধর্ম। কোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবককে সম্পৃক্ত দ্রবণে পরিণত করতে যে পরিমান দ্রব দ্রবীভূত করতে হয় তাকেই ঐ তাপমাত্রায় ঐ দ্রবের দ্রাব্যতা বলে। কোন পদার্থের দ্রাব্যতা প্রকৃতপক্ষে ব্যবহৃত দ্রাবক, তাপমাত্রা ও চাপের উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রার মত চাপও দ্রবণকে প্রভাবিত করে, সেটা তরল হোক বা বায়বীয়ই হোক। তাই দ্রাব্যতার সংজ্ঞা দেওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপ উল্লেখ করা হয়। দ্রাব্যতা প্রকাশ করা হয় ঘনমাত্রা প্রকাশের বিভিন্ন একক (মোলারিটি, মোলালিটি, নরমালিটি ইত্যাদি) দ্বারা। কারণ দ্রাব্যতা মূলত কোন দ্রবণে দ্রবের সর্বোচ্চ ঘনমাত্রাকেই প্রকাশ করে । দ্রাব্যতা একটি আনুপাতিক রাশি । এর কোন একক নেই। যেমনঃ ৩৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় KNO3 এর দ্রাব্যতা হল 60 তাহলে বোঝা যাবে যে ঐ তাপমাত্রায় 100G পানিতে সর্বাধিক 60G KNO3 দ্রবীভূত হয়ে দ্রবণ উৎপন্ন করবে ।



Discussion

No Comment Found